চূড়ান্ত ফলাফল: মহাজোট ২৮৮, ঐক্যফ্রন্ট ৭, স্বতন্ত্র ৩

মহাজোট ২৮৮ (আওয়ামী লীগ ২৫৯, জাতীয় পার্টি ২০, ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, জাসদ ২, বিকল্পধারা ২, তরিকত ফেডারেশন ১, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১) জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ (বিএনপি ৫, গণ ফোরাম ২)ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন ৩ আসনে। সহিংসতার কারণে নির্বাচন স্থগিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে। প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর) আসনে ভোট গ্রহণ ২৭ জানুয়ারি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার ভোর চারটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে দল ভিত্তিক এই ফলাফল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।


একনজরে কে কত ভোটে জয়ী:

রংপুর বিভাগ:
পঞ্চগড়-১: এই আসনের নৌকা মার্কার প্রার্থী মোজাহারুল হক প্রধান। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫২টি। নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওসাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৫৩১ ভোট।
পঞ্চগড়-২: এখানে নৌকার প্রার্থী এড. নুরুল ইসলাম সুজন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ ভোট পেয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও-১: আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রমেশ চন্দ্র সেন ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১০৭ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দবিরুল ইসলাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের আব্দুল হাকিম ধানের শীষ মার্কায় ভোট পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির জাহেদুর রহমান ৮৮ ৫০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র মোটরগাড়ি মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৮০ ভোট।
দিনাজপুর-১-(বীরগঞ্জ কাহারোল) আসনে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি নৌকা প্রতীকে ১,৯৮,৭৯২ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা মোহাম্মদ হানিফ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৮,৯২৮ ভোট।
দিনাজপুর-২ (বোচাগঞ্জ-বিরল) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি নৌকা প্রতীকে ১,৯৭৬৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাদিক রিয়াজ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮,৮২২ ভোট।
দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি নৌকা প্রতীকে ২,৩০৪৪৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খায়রুজ্জামান হাত পাখা প্রতীকে ৩৯,২৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
দিনাজপুর-৪ (খানসামা-চিরিরবন্দর) আসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহামুদ আলী নৌকা প্রতীকে ২.০৩৮৬৬ ভোট পেয়ে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আকতারুজ্জামান মিয়া ধানের প্রতীকে পেয়েছেন ৬১,৭০৬ ভোট।
দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে প্রাথমীক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি নৌকা প্রতীকে ১,৮৮৬৮০ ভোট পেয়ে সপ্তমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এ জেড এম রেজোয়ানুল হক ধানের শীষের প্রতীকে পেয়েছেন ১.২৮৫৬৭ ভোট।
দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-হাকিমপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট) আসনে শিবলী সাদিক এমপি নৌকা প্রতীকে ২.৮১৮৯১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমীর ধানের শীষের প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯,৭৬৯ ভোট।
নীলফামারী-১ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোতাহার হোসেন বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১৩২ কেন্দ্রে ভোট পেয়েছেন ২,৬৪,১১২। অন্যদিকে, তার নিকটতম বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজিব প্রধান শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১১,০০,৩ ভোট।
নীলফামারী-২- বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি ভোট পেয়েছেন এক লাখ ৭৭ হাজার ৬৫৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে মনিরুজ্জামান মন্টু পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪৮৪টি।
নীলফামারী-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির রানা মোহাম্মদ সোহেল। তিনি ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৮ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৩ ভোট।
নীলফামারী-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির আহসান আদেলুর রহমান। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩০ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী সহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৯৪ ভোট।
লালমনিরহাট-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোতাহার হোসেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১১২ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান রাজীব প্রধান পেয়েছেন ১১ হাজার ৩ ভোট।
লালমনিরহাট-২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির রোকন উদ্দীন বাবুল পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৫৩৩ ভোট।
লালমনিরহাট-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোট প্রার্থী (লাঙ্গল প্রতীক) গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু পেয়েছেন ৮৯ হাজার ১১৯ ভোট।

রংপুর-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোট সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী মসিউর রহমান রাঙ্গা। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ রহমত উল্লাহ পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫১ ভোট।
রংপুর-২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৯৩ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন মহাজোট সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এই আসনে লাঙ্গল প্রতীকে এরশাদ ১ লাখ ৪২ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট।
রংপুর-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৩ ভোট।
রংপুর-৪-(পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে নৌকা প্রতীকে টিপু মুন্সি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ভোট।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে আওয়ামী লীগের এইচএন আশিকুর রহমান ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে শাহ সোলায়মান ফকির পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৬৯ ভোট।
রংপুর-৬- বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৩ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আছলাম হোসেন সওদাগর। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান রানা পেয়েছেন ৫১ হাজার ভোট।
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির পনির উদ্দিন আহমেদ। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির (গণফোরাম) আমিন পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৪৮০ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের এম এ মতিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির তাসভীর উল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ২১৫ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৪৭০ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ২১৭ ভোট।
গাইবান্ধা-১: সুন্দরগঞ্জ আসনে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মাজেদুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট।
গাইবান্ধা- ২: সদর আসনে মাহাবুব আরা বেগম গিনি- (নৌকা)১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আব্দুর রশিদ সরকার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৬৭০ ভোট।
গাইবান্ধা- ৩: স্থগিত।
গাইবান্ধা-৪: গোবিন্দগঞ্জ আসনে প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী (নৌকা) ৩ লাখ ৮৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কাজী মশিউর রহমান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫ হাজার ৭১৭ ভোট।
গাইবান্ধা-৫: (সাঘাটা- ফুলছড়ি) আসনে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাড. ফজলে রাব্বি মিয়া। ফারুক আলম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৬৯ ভোট।
রাজশাহী বিভাগ
জয়পুরহাট-১: সব কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সামছুল আলম দুদু। তার প্রাপ্ত ভোট ২,৩৬,৩১৭। স্বতন্ত্র প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছেন ৩,০১৭ ভোট।
জয়পুরহাট-২: সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ২,৩১,২৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ২৫,৬৫১ ভোট।
বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি(নৌকা) ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪৭ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ) মার্কায় ১৬ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়েছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মহাজোট প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি(লাঙ্গল) ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী নাগরিক ঐক্যর আহবায়ক মামুদুর রহমান মান্না (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩৯৩ ভোট।
বগুড়া-৩ (আদমদিঘী-দুপচাঁচিয়া) মহাজোটের প্রার্থী নুরুল ইসলাম তালকদার এমপি ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রাথী মাছুদা মোমিন ৫৮ হাজার ৫০০ ভোট পেয়েছেন।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা) ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৯ ভোট পেয়েছেন।
বগুড়া-৫ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাবিবর রহমান (নৌকা)৩ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোম্মাদ সিরাজ (ধানের শীষ) ৪৯ হাজার ৭৪০ ভোট পেয়েছেন।

বগুড়া-৬(সদর) বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ) ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৭৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী মহাজোট বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ওমর এমপি (লাঙ্গল) ৪৩ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়েছেন।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক রেজাউল করিম বাবলু (ট্রাক) ১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮৬ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌসী আরা খান (ডাব) ৬৫ হাজার ২৯২ ভোট পেয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: আসনের ১৫৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৪টি কেন্দ্রেই বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। তিনি ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮টি ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের বিএনপির প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট। তিনি ৪টি কেন্দ্রে জয় লাভ করেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: আসনের ১৫৯টি কেন্দ্রের সব কয়টিতে জিতেছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মু. জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: আসনের ১৫০ কেন্দ্রের সবগুলোতেই জিতেছেন বিএনপির প্রার্থী মো. হারুন উর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. আব্দুল ওদুদ পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট।

নওগাঁ-১ (সাপাহার-পোরশা-নিয়ামতপুর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাধন চন্দ্র মজুমদার পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৩৬৪ ভোট।
নওগাঁ-২: (ধামইরহাট-পত্নীতলা) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সামসুজ্জোহা খান পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯১৬ ভোট।
নওগাঁ-৩: (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছলিম উদ্দীন তরফদার পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৪২।
নওগাঁ-৪: (মান্দা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আবুল হায়াত মোহাম্মদ সামসুল আলম প্রামাণিক পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৭১ ভোট।
নওগাঁ-৫: (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন পেয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৫৯ ভোট।
নওগাঁ-৬: (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইসরাফিল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৪২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আলমগীর কবীর পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৫৪ ভোট।

রাজশাহী-১: আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৫,৯৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের ব্যারিস্টার আমিনুল হক পেয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ৭৩২ ভোট।
রাজশাহী-২: আসনে নৌকা প্রতীকে মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু পেয়েছেন ১ লাখ তিন হাজার ৩২৭ ভোট।
রাজশাহী-৩: আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আয়েন উদ্দিন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল হক মিলন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৭১ ভোট।
রাজশাহী-৪: আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী আবু হেনা পেয়েছেন ১৪,১৬০ ভোট।
রাজশাহী-৫: আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডাক্তার মনসুর রহমান নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯২৭ ভোট।
রাজশাহী-৬: (চারঘাট-বাঘা) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এই জয়ের সুবাদে টানা তিনবার তিনি নির্বাচিত হলেন। শাহরিয়ার আলম পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৫৪৩ ভোট। এ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী ছিলেন না। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস সালাম সুরুজ পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩২ ভোট।
নাটোর-১ আসনে আওয়ামী লীগের শহিদুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার০১১ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামরুন নাহার শিরীন পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬১০ ভোট।
নাটোর-২ সদর আসনে আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম শিমুল পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৫০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন ছবি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৫৯ ভোট।

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহমেদ পলক পেয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ২৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৮৭৫০ ভোট।
নাটোর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের আব্দুল কুদ্দুস পেয়েছেন ২ লাখ ৮৬ হাজার ২৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলাউদ্দিন মৃধা পেয়েছেন ৬ হাজার ৯২৯ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ৩২৪৪২৪ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত কন্ঠশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ১১১৮ পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১৬৮।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না ২৯৪৮০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত রুমানা মাহমুদ ১৩৭২৮ ভোটে পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১৪৩
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা.আব্দুল আজিজ ২৯৫৫১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান তালুকদার ২৭২৪৮ ভোটে পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১৫১।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত তানভীর ইমাম ৩৩৬৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত রফিকুল ইসলাম খান ২৪৮৯৩ ভোটে পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১২৭।
সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মমিন মন্ডল ২৫৯৮৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিরুল ইসলাম খান আলীম ২৮৩১৭ ভোট পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১২৩।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাসিবুর রহমান স্বপন ৩৩৫৭৫৯ ভোটে পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ড.এম.এ মুহিত ১৪৬৯৭ ভোট পেয়েছেন। মোট কেন্দ্র-১৩২।
পাবনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল হক টুকু নৌকা প্রতীকে মোট ১২০টি কেন্দ্রে ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৯ শত ৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩ শত ৯১ ভোট।
পাবনা-২ আসনে ১০৩টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৬ শত ৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩ শত ৮৩ ভোট।

পাবনা-৩ আসনে ১৭১টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকবুল হোসেন নৌকা প্রতীকে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯ শত ৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী কেএম আনোয়ারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮ শত ২০ ভোট।
পাবনা-৪ আসনে ১২৯টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুর রহমান শরিফ ডিলু নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯ শত ৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩ শত ৮৩ ভোট।
পাবনা-৫ আসনে ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৭টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম ফারুক প্রিন্স নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ১২ হাজার ৩ শত ২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের (জামায়াত) প্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মোহাঃ ইকবাল হোসাইন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫ শত ৫১ ভোট।

খুলনা বিভাগ
মেহেরপুর-১- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফরহাদ হোসেন বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১০৬ কেন্দ্রে ভোট পেয়েছেন ১৬৯২০৪। অন্যদিকে নিকটতম বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১২৯৫৯ ভোট।
মেহেরপুর-২- বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীহিদু সাজ্জামান খোকন (নৌকা) সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১,৬৯,০১৪ । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাভেদ মাসুদ মিল্টন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯০০ ভোট।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আ ক ম সরোয়ার জাহান বাদশা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪২০ ভোট।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৮২ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মহাজোট মনোনীত জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবীব লিংকন ধানের শীষ প্রতীকে ৩৫৭৫১ ভোট পেয়েছেন।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নেতা জাকির হোসেন সরকার ধানের শীষ প্রতীকে ১৪ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়েছেন।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নেতা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে ১২ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা-১ এখানে আওয়ামী লীগের সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ২৪ হাজার ৪০৩ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনেও জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের আলী আজগার। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯৯ হাজার ১৬০ ভোট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপির মাহমুদ হাসান খান। তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৩০ ভোট।
ঝিনাইদহ-১- ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে আব্দুল হাই নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৬ শত ৩৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির এ্যাডভোকেট আসাদুজামান আসাদ পেয়েছেন ৫ হাজার ২ শত ৩৯ ভোট।
ঝিনাইদহ-২- (সদরের একাংশ-হরিণাকুন্ডু) আসনে তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২ শত ১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ফখরুল ইসলাম পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯ শত ২৭ ভোট।
ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে সফিকুল ইসলাম আজম খান চঞ্চল নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের অধ্যাপক মতিয়ার রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৮৭ ভোট।
ঝিনাইদহ-৪ (সদরের আংশিক-কালীগঞ্জ) আসনে আনায়ারুল ইসলাম আনার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়ার পথে রয়েছেন। তিনি ১১৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬ কেন্দ্রে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ২শত ৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির সাইফুল ইসলাম ফিরোজ পেয়েছেন ৭ হাজার ৮শত ৮২ ভোট।
যশোর-১ (শার্শা উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিন দুই লাখ ১১ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮১ ভোট।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাসির উদ্দিন তিন লাখ ২৫ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১৩ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আবু সাঈদ।
যশোর-৩ (সদর) আসনে তিন লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কাজী নাবিল আহমেদ। ৩১ হাজার ৭১০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
যশোর-৪ আসনে ২ লাখ ৭২ হাজার ১৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রণজিত কুমার রায়। ৩০ হাজার ৮৭৪ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির টিএস আইয়ুব।
যশোর-৫ (মণিরামপুর উপজেলা) আসনে দুই লাখ ৪২ হাজার ৮৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের স্বপন ভট্টাচার্য। ২৪ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস।
যশোর-৬ (কেশবপুর উপজেলা) আসনে এক লাখ ৫৬ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের ইসমাত আরা সাদেক। ৫ হাজার ৬৭৩ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ।
মাগুরা-১- নৌকার প্রার্থী সাইফুজ্জামান শিখর ২ লাখ ৭৪ হাজার ১৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় মাগুরা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ফলাফল ঘোষণা করেন। সাইফুজ্জামান শিখরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনোয়ার হোসেন খান ধা‌নের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৬৭ ভোট।
মাগুরা-২- আওয়ামী লীগ`র মনোনীত প্রার্থী বীরেন শিকদার বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১৩৪ কেন্দ্রে ভোট পেয়েছেন ২,৩০,১২৩। অন্যদিকে, তার নিকটতম বিএনপি প্রার্থী নিতায় রায় চৌধুরী ভোট পেয়েছেন ৫২,০০,৯ ভোট।
নড়াইল-১ আওয়ামী লীগের কবিরুল হক পরাজিত করেছেন বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে। কবিরুল পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫২৯ ভোট। আর জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন মাত্র ৮ হাজার ৯১৯ ভোট।
নড়াইল-২- বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। নৌকা প্রতীক নিয়ে মাশরাফি পেয়েছেন ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট। তার প্রতিন্দ্বন্দ্বি ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী এনপিপির একাংশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট।
বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দিন সবকটি কেন্দ্রে সর্বমোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শেখ মাসুদ রানা পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৩৪৯ ভোট।
বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ সারহান নাসের তন্ময় সবকটি কেন্দ্রে সর্বমোট ২ লাখ ২০ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রাথী এম এ সালাম পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৯০ ভোট।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুন নাহান তালুকদার সবকটি কেন্দ্রে সর্বমোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯০৭ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াত নেতা আব্দুল ওয়াদুদ শেখ পেয়েছেন মাত্র ১৩ হাজার ৪০৮ ভোট।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হেসেন সবকটি কেন্দ্রে সর্বমোট ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দেলনের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মাওলানা আব্দুল মজিদ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৩৯৫ ভোট।
খুলনা-১ আসনে (১০৭ টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস ১,৭২,০৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ২৮,৪৩৭ ভোট।
খুলনা-২ আসনে (১৫৭টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল ১,১২,১০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ২৭,৩৭৯ ভোট।
খুলনা-৩ আসনে (১১৭টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আওয়ামী লীগের বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ১,৩৪,৮০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ২৩,৬০৬ ভোট।
খুলনা-৪ আসনে (১৩১টিকেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী ২,২৩,২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল পেয়েছেন ১৪,১৮৭ ভোট।
খুলনা-৫ আসনে (১৩৩টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী নারায়ন চন্দ্র চন্দ-২,৩১,৭২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের (জামায়াত) মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ৩২,৯৫৯ ভোট।
খুলনা-৬: (১৪১টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আওয়ামী লীগের শেখ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু ২,৮৪,৩৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের (জামায়াত) আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১৯,২৫৭ ভোট।
সাতক্ষীরা-১: আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ১৬৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৩ লাখ ৩১ হাজার ৪০১ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিবুল ইসলাম হাবিব ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯০২ ভোট।
সাতক্ষীরা-২: নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৩৭ কেন্দ্রে এক লাখ ৫৫ হাজার ৬১১ ভোট। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামায়াত নেতা আব্দুল খালেক পেয়েছেন ২৭ হাজার ৭১১ভোট।
সাতক্ষীরা-৩: আসনে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী ডা. আফম রুহুল হক। সব কেন্দ্রে (১৫৩) তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৩৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. শহিদুল আলম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৫৩ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪: আসনে বিজয়ী নৌকার প্রার্থী এস এম জগলুল হায়দার বিজয়ী হয়েছেন। ১৩৯ কেন্দ্রের সবগুলোতে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৮৬ ভোট।
বরিশাল বিভাগ
বরগুনা-১: আসনে অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও বরগুনা-২ আসনে শওকত হাচানুর রহমান রিমন নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ৫ম বারের (১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮) মতো নির্বাচিত হলেন। তিনি ৩ লাখ ১৭ হাজার ৬২২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মতিয়ার রহমান তালুকদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৮৫০ ভোট।
বরগুনা-২: (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে ৩য় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শওকত হাচানুর রহমান রিমন। তিনি ২ লাখ ৩২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন পেয়েছেন ৯ হাজার ৫১৮ ভোট।
পটুয়াখালী-১ আসনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী প্রার্থী শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭০ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৬৯ ভোট।
পটুয়াখালী-২ এ ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ। আর বিএনপির সালমা আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৬০ ভোট।
পটুয়াখালী-৩- (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার ভাগ্নে এস এম শাহজাদা সাজু বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গোলাম মাওলা রনি পেয়েছেন ৬১৭৬ ভোট।
পটুয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুহিব্বুর রহমান মুহিব পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১২ ভোট। আর বিএনপির এ বি এম মোশারেফ হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ১৮৫ ভোট।
ভোলা-১: ভোলা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজার ১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ২২৪ ভোট এবং ইসলামী শাসন আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন নবী পুরী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেস ৭ হাজার ৩৮ ভোট।
ভোলা-২: আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাফিজ ইব্রাহীম বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট এবং ইসলামী শাসন আন্দোলনের প্রার্থী ওয়াদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ২৩২ ভোট।
ভোলা-৩: আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৪১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী শাসন আন্দোলনের মাওলানা মুছলেউদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৫ ভোট এবং বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষে পেয়েছেন ২ হাজার ৫০২ ভোট।
ভোলা-৪: আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল্লাহ ইসলাম জ্যাকব নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী শাসন আন্দোলনের মাওলানা মহিবুল্লাহ হাতপাখা নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২২২ ভোট। বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আলম ধানের শীষে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭ ভোট।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই মন্ত্রী পদমর্যাদার আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ২ লাখ ৫ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম জহিরউদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ হাজার ৩০৫ ভোট।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মো. শাহে আলম ২ লাখ ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সাংসদ নিবাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৩৭ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী চিত্রনায়ক মো. মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭১ ভোট।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মহাজোটের অন্যতম শরিক দল জাতীয় পার্টির (জাপা) গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৫৪ হাজার ৭৭৮ ভোট পেয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পংকজ নাথ ২ লাখ ৪১ হাজার ৩ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের জে এম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ২৮২ ভোট।
বরিশাল-৫ (সদর ও মহানগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ২ লাখ ১৫ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৬২ ভোট।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) নাসরিন জাহান রত্না লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুরুল ইসলাম আল আমিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ১৪ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়েছেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৫৮ ভোট।
ঝালকাঠী-১ এখানে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বজলুল হক হারুন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহজাহান ওমর পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫১ ভোট।
ঝালকাঠী-২ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা আমির হোসেন আমু ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জীবা আমিনা খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৮২ ভোট।
পিরোজপুর-১- নৌকা প্রতীকে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬১০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন শ ম রেজাউল করিম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম সাঈদী ধানের শীষ প্রতীকে ৮ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়েছেন।
পিরোজপুর-২ এ বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন জেপি’র আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪২৫ ভোট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৩২৬ ভোট।
পিরোজপুর-৩- বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন মহাজোট সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী রুস্তম আলী ফরাজী। তিনি লাঙল প্রতীকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী রুহুল আমিন দুলাল পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৮ ভোট।

ময়মনসিংহ বিভাগ
জামালপুর-১: দেওয়ানগঞ্জ-বকসিগঞ্জ আসনে সাবেক তথ্য ও সাংস্কৃতি মন্ত্রী, নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ২ লাখ ৭১হাজার ৭শ ৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারী ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মজিদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭শ ৮ ভোট।
জামালপুর-২: জামালপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি নৌকা প্রতীক নিয়ে ১লাখ ৮০হাজার ৪শ ১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭শ ২১ ভোট।
জামালপুর-৩: জামালপুর ৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬শ ৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩শ ৮২ ভোট।
জামালপুর-৪: জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে সাবেক এমপি ডাঃ মুরাদ হাসান নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ১শ ৯৮ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীক প্রার্থী মোখলেছুর রহমান পেয়েছেন ১ হাজার ৫শ ৯৩ ভোট।
জামালপুর-৫: এখানে আওয়ামী লীগের মোজাফফর হোসেন ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। বিএনপির শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৭৪ ভোট।
শেরপুর-১ এ আওয়ামী লীগের আতিউর রহমান আতিক পেয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির নবীন প্রার্থী সানসিলা জেবরিন পেয়েছেন ২৭ হাজার ৬৪৩ ভোট।
শেরপুর-২: আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী চৌধুরী ৩ লাখ ৪৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফাহিম চৌধুরী পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৫২ ভোট।
শেরপুর-৩: এ কে এম ফজলুল হক (আ. লীগ) ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৩৬।
মাহমুদুল হক রুবেল (বিএনপি) ১২ হাজার ৪৯১।
ময়মনসিংহ-১: (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের মোট ১৩৬ টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে জুয়েল আরেং পেয়েছেন ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯শ ২৩ ভোট। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আফজাল এইচ খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬শ ৩৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-২: (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের মোট ১৭০টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে শরীফ আহম্মেদ ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩শ ৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩শ ৩৪ ভোট।
ময়মনসিংহ-৩: (গৌরীপুর) আসনের মোট ৮৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩শ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫শ ১৯ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪: (সদর আসন) মোট ১৭৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে মহাজোটের প্রার্থী বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭শ ৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩ ভোট পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৫: (মুক্তাগাছা) আসনের মোট ১০৪টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে কেএম খালিদ বাবু ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৫শ ৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জাকির হোসেন বাবলু পেয়েছেন ২২ হাজার ২শ ৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৬: (ফুলবাড়িয়া) আসনের মোট ১১৩টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন অ্যাডভোকেট ২ লাখ ৪০ হাজার ৫শ ৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে তিনি ওই আসনের টানা ৬ বারের সাংসদ নির্বাচিত হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শামস্ উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩শ ৩২ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭: (ত্রিশাল) আসনের মোট ১২০টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী ২ লাখ ৬ হাজার ৯শ ৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন পেয়েছেন ৩৭ হাজার ১শ ৪৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮: (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে মোট ৮৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে লাঙ্গন প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী ফখরুল ইমাম ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭শ ৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণ-ফোরামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৯: (নান্দাইল) আসনের মোট ১১৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ২ লাখ ২৭ হাজার ৪শ ৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খুররুম খান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৮শ ৫৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০: (গফরগাঁও) আসনে মোট ১১১টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল ২ লাখ ৮১ হাজার ২শ ৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ মোর্শেদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ভোট।
ময়মনসিংহ-১১: (ভালুকা) আসনে মোট ১০২টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু ২ লক্ষ ২৬ হাজার ১০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফখর উদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ১শ ৭৫ ভোট।
নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার (আ. লীগ) ২ লাখ ৬০ হাজার ৩২০।
কায়সার কামাল (বিএনপি) ১৩ হাজার ৭২৩।
নেত্রকোনা-২: আশরাফ আলী খান খসরু (আ. লীগ) ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৯৬।
আনোয়ারুল হক (বিএনপি) ৩০ হাজার ৫৭৩
নেত্রকোনা-৩: অসীম কুমার উকিল (আ. লীগ) ২ লাখ ৭০ হাজার ৭০
রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি) ৭ হাজার ২৭
নেত্রকোনা-৪: রেবেকা মমিন (আ. লীগ) ২ লাখ ৪ হাজার ৭৯৫
তাহমিনা জামান (বিএনপি) ৩৭ হাজার ৬০৫
নেত্রকোনা-৫: ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (আ. লীগ) ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২
আবু তাহের তালুকদার (বিএনপি) ১৫ হাজার ৫৪২

ঢাকা বিভাগ
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. আব্দুর রাজ্জাক ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬শ’ ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) সরকার শহিদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।
টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) তানভীর হাসান ছোট মনির ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩২ পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৪৯ ভোট।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) আতাউর রহমান খান ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯শ’ ৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) লুৎফর রহমান খান আজাদ ৮ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) মোহাম্মদ হাসান ইমাম খান ২ লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রার্থী (ধানের শীষ) ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) এখনো পাইনি- তবে আওয়ামী লগের প্রার্থী (নৌকার) মো. ছানোয়ার হোসেন এগিয়ে আছেন।
টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) আহসানুল ইসলাম টিটু ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী পেয়েছেন, ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) একাব্বর হোসেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪শ’৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮০৩ ভোট।
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ২ লাখ ৮ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী (ধানের শীষ) কুড়ি সিদ্দিকী পেয়েছেন ৭২ হাজার ২১১ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (নৌকা) ২ লক্ষ ৭৭ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫০ হাজার ৪০০ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ৪৩০১৯৩।
কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) নূর মোহাম্মদ (নৌকা) ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান রঞ্জন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩২৩ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ৪১৭৪২০।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) মো. মুজিবুল হক চুন্নু-জাপা (লাঙ্গল) ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. সাইফুল ইসলাম-জেএসডি (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭৮৬ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ৩৪৭২০৯।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (নৌকা) ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৮০০ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ৩২০২৪৬।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) মো. আফজাল হোসেন (নৌকা) ২ লক্ষ ২ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫০ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ২৭৮৭০৮।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) নাজমুল হাসান পাপন (নৌকা) ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শরীফুল আলম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪ ভোট। এ আসনে মোট ভোট ৩৩২৬৫১।
মানিকগঞ্জ-১: মানিকগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাঈমুর রহমান দুর্জয় ২ লাখ ৫১ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল হামিদ ডাব্লিউ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৪৭ ভোট। মানিকগঞ্জ-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৬ জন। মোট কেন্দ্র ১৬৫টি।
মানিকগঞ্জ-২: মানিকগঞ্জ-২ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম।দুই লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়ী হয়েছেন। তিনি ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মঈনুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৩১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-৩: মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহিদ মালেক স্বপন ২ লাখ ২৬ হাজার ৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মফিজুল ইসলাম খান কামাল উদীয়মান সূর্য প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৩৮১ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ-১: আসনে ১৬৭টি ভোট কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলের মহাজোট প্রার্থী মাহি বি চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ২লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহা মোয়াজ্জেম হোসেন ধানের শীষের ৪৪ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ-২: আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি নৌকা প্রতীকে ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ভোট পেয়েছেন ২লাখ ১৫ হাজার ৩৮৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান সিনহা (ধানের শীষ) মোট ভোট পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৫।
মুন্সীগঞ্জ-৩: আসনে মোট ১৬৬ ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগের মৃণাল কান্তি দাস নৌকা প্রতীকে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল হাই ধানের শীষে ১২ হাজার ৭শ ৩৬ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-১: ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি ৩ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে ৩৭ হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-২:কামরুল ইসলাম (নৌকা ২,৬৩,৬৯৫), নিকটতম: ইরফান ইবনে আমান (ধানের শীষ ৩২,৪৯০)।
ঢাকা-৩- নসরুল হামিদ ( নৌকা ২,১৯,৬৩১), নিকটতম: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ধানের শীষ ১৬,৬১২)।
ঢাকা-৪- জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৩০ ভোট।
ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা (আ. লীগ) ২ লাখ ২ হাজার ৮৩।
নবীউল্লা নবী (বিএনপি) ৬৭ হাজার ৫৭২
ঢাকা-৬- ৯৩ হাজার ৫৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের সুব্রত চৌধুরীর প্রাপ্ত ভোট ২৩ হাজার ৬৯০।
ঢাকা-৭: মো. সেলিম (আ. লীগ) ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৭
মোস্তফা মোহসীন মন্টু (গণফোরাম) ৫১ হাজার ৬৭২
ঢাকা-৮: রাশেদ খান মেনন (ওয়ার্কার্স পার্টি) ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৮
মির্জা আব্বাস (বিএনপি) ৩৮ হাজার ৭১৭
ঢাকা-৯: সাবের হোসেন চৌধুরী (আ. লীগ) ২ লাখ ২৪ হাজার ২৩০
আফরোজা আব্বাস (বিএনপি) ৫৯ হাজার ১৬১
ঢাকা-১০: শেখ ফজলে নূর তাপস (আ. লীগ) ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭২
আবদুল মান্নান (বিএনপি) ৪৩ হাজার ৮৩১
ঢাকা-১১: এ কে এম রহমতুল্লাহ (আ. লীগ) ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১
শামীম আরা (বিএনপি) ৫৪ হাজার ৭২১
ঢাকা-১২- আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (নৌকা ১,৯১,৮৯৫), নিকটতম: সাইফুল আলম (ধানের শীষ ৩২,৬৭৮)।
ঢাকা-১৩- নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন সাদেক খান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ১৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আব্দুস সালামের প্রাপ্ত ভোট ৪৭ হাজার ২৩২।
ঢাকা-১৪: আসলামুল হক (আ. লীগ) ১ লাখ ৯৭ হাজার ১৩০
সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (বিএনপি) ৫৪ হাজার ৯৮১
ঢাকা-১৫-আসনটিতে আওয়ামী লীগের কামাল আহমেদ মজুমদার ৩৫ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. মো. শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৮ হাজার ৭০০ ভোট।
ঢাকা-১৬: ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (আ. লীগ) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৬
আহসান উল্লাহ হাসান (বিএনপি) ৫০ হাজার ৫৩৫
ঢাকা-১৭: ঢাকা-১৭ আসনে মহাজোট প্রার্থী চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। এ আসনে নায়ক ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজারেরও বেশি ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পার্থ পেয়েছেন ৩৮ হাজার ছয়শ’র কিছু বেশি ভোট।
ঢাকা-১৮: সাহারা খাতুন (আ. লীগ) ৩ হাজার ২ হাজার ৬
শহীদ উদ্দিন মাহমুদ (জেএসডি) ৭১ হাজার ৭৯২
ঢাকা-১৯ এনামুর রহমান (আ. লীগ) ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮১
দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন (বিএনপি) ৬৯ হাজার ৪১০
ঢাকা-২০- বেনজির আহমেদ ( নৌকা ২,৫৯,৭৭৮) নিকটতম: আব্দুল মান্নান (হাতপাখা ৭,২৬৮)।
গাজীপুর-১: আ ক ম মোজাম্মেল হক (আ. লীগ) ৪ লাখ ১ হাজার ৫৩৬
চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী (বিএনপি) ৯২ হাজার ৩৭০
গাজীপুর-২: জাহিদ আহসান রাসেল (আ. লীগ) ৪ লাখ ১৪ হাজার ৩৭৩
সালাহ উদ্দিন সরকার (বিএনপি) ১ লাখ ১ হাজার ৮৫৮
গাজীপুর-৩: ইকবাল হোসেন সবুজ (আ. লীগ) ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩২০
ইকবাল সিদ্দিকী (বিএনপি) ৩৭ হাজার ৭৮৬
গাজীপুর-৪: সিমিন হোসেন রিমি (আ. লীগ) ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৮
শাহ রিয়াজুল হান্নান (বিএনপি) ১৮ হাজার ৫৮২
গাজীপুর-৫: মেহের আফরোজ চুমকি (আ. লীগ) ২ লাখ ৭ হাজার ৬৯৯
এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি) ২৭ হাজার ৯৭৬
নরসিংদী-১ সদর আসনে (১৩২টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম হিরু ২,৭১,০৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কারাবন্দী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়ুল কবির খোকন পেয়েছেন ২৪,৬৮৪ ভোট।
নরসিংদী-২ পলাশ আসনে (৮৮টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার আশ্রাফ খান দিলীপ ১,৭৬,৩৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান পেয়েছেন ৭,৩৬০ ভোট ।
নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনে (৯৬টি কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহিরুল হক মোহন ৯৪,০৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ৫২,৮৭৬ ভোট।
নরসিংদী-৪ মনোহরদী-বেলাব আসনে (১৫৪কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী এড.নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ২,৬৩,৬৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নিবাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন ২০,৪৩১ ভোট।
নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনে (১৬১কেন্দ্রে) আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু ২,৯৪,৪৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নিবাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আশরাফ উদ্দিন বকুল পেয়েছেন ২০,৪৩১ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) (মহা‌জোট-নৌকা) ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৮।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম বাবু (মহা‌জোট) ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮২। ধা‌নের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার ১৫২ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে লিয়াকত হোসেন খোকা মহা‌জোট (লাঙ্গল) পেয়েছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ ভোট। ধা‌নের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৭ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৪- (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) থেকে মোট ২১৬টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম শামীম ওসমান, তার নিকটতম প্রার্থী ধানের শীষের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মুনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৫৮২ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে একেএম সে‌লিম ওসমান মহা‌জোট (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৫ ভোট। ধা‌নের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৯৮৬ ভোট।
রাজবাড়ী-১: কাজী কেরামত আলী (আ. লীগ) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৪ হাজার
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি) ৩৩ হাজার।
রাজবাড়ী-২: জিল্লুল হাকিম (আ. লীগ) ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৪
নাসিরুল হক সাবু (বিএনপি) ৫ হাজার ৪৭৫
ফরিদপুর-১: মনজুর হোসেন (আ. লীগ) ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৯১
আবু জাফর (বিএনপি) ২৬ হাজার ১৬২
ফরিদপুর-২: সাজেদা চৌধুরী (আ. লীগ) ২ লাখ ১৯ হাজার ২০৬
শামা ওবায়েদ ইসলাম (বিএনপি) ১৪ হাজার ৮৮৫
ফরিদপুর-৩: খন্দকার মোশাররফ হোসেন (আ. লীগ) ২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭১
চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ (বিএনপি) ২১ হাজার ৭০৪
ফরিদপুর-৪: কাজী জাফর উল্লাহ - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৯৫ হাজার ৩৬৩
মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (স্বতন্ত্র) ১ হাজার ৪৫ হাজার
গোপালগঞ্জ-১ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অপর এক প্রেসিডিয়াম সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) মুহাম্মদ ফারুক খান বিজয়ী হয়েছেন, তিনি পেয়েছেন ৯৯.৩৬% ভোট। তিনি এবারের নির্বাচনে পেয়েছেন ৩ লাখ ৩ হাজার ১৬২ ভোট। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ মিজানুর রহমান ৭০২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এফ ইশরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর পেয়েছেন মাত্র ৫৭ ভোট। এবারের বিজয় নিয়ে ৫ম বারের মত এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন ফারুক খান।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম জয়ী হয়েছেন, তিনি পেয়েছেন ৯৯.৩৫% ভোট। তার প্রাপ্ত মোট ভোট ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯টি। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তসলিম সিকদার ৬০৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। আর বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ পেয়েছেন মাত্র ২৮৬ ভোট। শেখ সেলিম এই আসন থেকে এ নিয়ে ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।
গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, তিনি পেয়েছেন ৯৯.৪৭% ভোট। ফলাফল অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবার নিয়ে মোট ৭ বার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। তার ভোট ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী পেয়েছেন মাত্র ১২৩ ভোট।
মাদারীপুর-১ - নৌকা প্রার্থী নূর ই আলম চৌধুরী লিটন বিজয় লাভ করেছেন। নূর ই আলম চৌধুরী লিটন (নৌকা) ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৪ ভোটা পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হাতপাখা প্রতীকের মাওলানা জাফর আহম্মদ ৪৩৬, ধানের শীষ প্রতীকে সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু ৩০৫, জহিুরুল ইসলাম মিন্টু (লাঙল) ৬৪ ও শাহনেয়াজ তোতা (গোলাপফুল) ১০৭ ভোট পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের নূর ই আলম চৌধুরী এবারের বিজয়ের মাধ্যমে ৬ষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।
মাদারীপুর-২: শাহজাহান খান (আ. লীগ) ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৪০
মিল্টন বৈদ্য (বিএনপি) ২ হাজার ৫৯০
মাদারীপুর-৩: আবদুস সোবহান গোলাপ (আ. লীগ) ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪১
আনিসুর রহমান তালুকদার (বিএনপি) ৩ হাজার ২৭৫
শরীয়তপুর-১: ইকবাল হোসেন অপু (আ. লীগ) ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৪
সরদার এ কে এম নাসির উদ্দীন (বিএনপি) ১ হাজার ৫৪
শরীয়তপুর-২: এ কে এম এনামুল হক শামীম (আ. লীগ) ২ লাখ ৭২ হাজার ১৯২
শফিকুর রহমান কিরণ (বিএনপি) ২ হাজার ১১৫
শরীয়তপুর-৩: নাহিম রাজ্জাক (আ. লীগ) ২ লাখ ৭ হাজার ২১৬
মিয়া নুরুদ্দিন অপু (বিএনপি) ২ হাজার ৬৬৪

সিলেট বিভাগ
সুনামগঞ্জ- ১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। তার প্রাপ্ত ভোট ২,০৬,৪২৪ টি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নাজির হোসেন পেয়েছেন ৭৮,৯১৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়া সেনগুপ্ত ১,০২,৪১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নাছির উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৬৭,৫৮৭ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এম এ মান্নান ১,৬৩,১৪৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের শাহিনুর পাশা চৌধুরী পেয়েছেন ৫২,৯২৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) পীর ফজলুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন ১,৩৭,২৮৯ ভোট পেয়ে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ফজলুল হক আছপিয়া পেয়েছেন ৬৯,৭৪৯ ভোট, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের তানভীর আহমদ তাছলিম পেয়েছেন ১,৫২৯ ভোট, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আজিজুল হক পেয়েছেন ১৪১৬ ভোট, মুসলিম লীগের (বিএমএল) আল হেলাল মো. ইকবাল মাহমুদ পেয়েছেন ১১৫ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) মোহাম্মদ দিলোয়ার পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৩৬৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুহিবুর রহমান মানিক পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ২,২১,৩২৮ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিজানুর রহমান চৌধুরী পেয়েছেন ৮৯,৬৪২ ভোট।
সিলেট-১ আসনে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রতীকের ড. এ কে আব্দুল মোমেন। মোমেন পেয়েছেন ৩ লাখ ১ হাজার ২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৯ ভোট।
সিলেট-২ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান উদীয়মান সূর্য প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৪২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৪৯ ভোট।
সিলেট-৩ আসনে প্রায় ৯৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরীকে পরাজিত করেছেন আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। নৌকা প্রতীকে সামাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৭ ভোট, ধানের শীষে শফির ভোট ৭৯ হাজার ৮৬৫ ভোট।
সিলেট-৪ আসনে বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিমকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২০৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের ইমরান আহমদ। নৌকা প্রতীকে ইমরান পেয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭৭ ভোট, ধানের শীষে সেলিম পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৭৩ ভোট।
সিলেট-৫ আসনে নৌকা প্রতীকে ৬৮ হাজার ২৩১ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন হাফিজ আহমদ মজুমদার। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ১৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬০ ভোট।
সিলেট-৬ আসনে ৮৭ হাজার ৯২৬ ভোটের ব্যবধানে ফের বিজয়ী হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৫ ভোট। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ফয়সল আহমদ চৌধুরী ১ লাখ ৮ হাজার ৮৯ ভোট।
মৌলভীবাজার-১- বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. শাহাব উদ্দিন (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মিঠু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯২টি কেন্দ্রের ফলাফলে জাতীয় এক্যফন্টের প্রার্থী সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ (ধানের শীষ) ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোটের প্রার্থী বিকল্পধারার এমএম শাহীন (নৌকা) পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট। জেলা একমাত্র আসনে হিসেবে সেখানে সামান্য ব্যবধানে নৌকার ভরা ডুবি হয়।
মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর- রাজনগর) আসনে ১৬৮ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নেছার আহমদ (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের নাসের রহমান পেয়েছেন এক লাখ ৪ হাজার ৫৯৫ ভোট।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে ১৫২ টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ২ লাখ ১১ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. আব্দুস শহীদ (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মুজিবুর রহমান মুজিব (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২৯৫। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুস শহীদ।
হবিগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ১,৫৮,১৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণফোরামের রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন ৮৫,১৯৭ ভোট।
হবিগঞ্জ-২ আসনে ১,৭৭,৯৩১ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আবদুল মজিদ খান জয়ী হিয়েছেন। খেলাফত মজলিসের আবদুল বাসিত আজাদ পেয়েছেন ৬০,০২৫ ভোট।
হবিগঞ্জ-৩ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আবু জাহির ১,৯৩,৮৭৩ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জি কে গউছ পেয়েছেন ৬৮,০৭৮ ভোট।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাহবুব আলী ৩,০৯,৬৫৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। - খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের পেয়েছেন ৪৫,১৫১ ভোট।

চট্টগ্রাম বিভাগের আসনসমূহ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম ১,০১,১১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এ কে একরামুজ্জামান পেয়েছেন ৬০,৭৩৪ ভোট। অন্যান্যদের মধ্যে, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হুসেইন আহমদ ৭৭০ টি, ইসলামী ঐক্যজোটের আবুল কাসেম মুহা. আশরাফুল হক ১৭৭ টি, ইসলামী ফ্রন্টের মো. ইসলাম উদ্দিন ১৯১টি ও জাতীয় পার্টির (জেপি) ফায়েজুল হক পেয়েছেন ৬০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) উকিল আবদুস সাত্তার ৮২,৭২৩ পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা স্বতন্ত্র হয়ে ৭২,৫৪৬ ভোট পেয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ৩,৯৩,৫২৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) খালেদ হোসেন মাহবুব পেয়েছেন মাত্র ৪৬,০৭৭ ভোট। অন্যান্যদের মধ্যে - ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ছৈয়দ আনোয়ার আহম্মদ লিটন পেয়েছেন ২,৯২০ ভোট, জাতীয় পার্টির (জাপা) আবদুল্লাহ আল হেলাল পেয়েছেন ৪৮৬ ভোট, খেলাফত আন্দোলনের মুজিবুর রহমান হামিদী পেয়েছেন ৩৪১ ভোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জুনায়েদ আল হাবীব ১০৪ ভোট, জাকের পার্টির সেলিম কবির ১,৩১২ ভোট, সিপিবির শাহরিয়ার মো. ফিরোজ ৪৭০ ও ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ ৬২ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আনিসুল হক পেয়েছেন ২,৮২,০৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম পেয়েছেন মাত্র ২,৯৪৯ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নৌকা প্রতীকে এবাদুল করিম বুলবুল ২,৫১,৫২২ ভোট নিয়ে জয়ী হয়েছেন, ধানের শীষ প্রার্থী পেয়েছেন কাজী নাজমুল হোসেন পেয়েছেন ১৭,০১১ ভোট। অন্যান্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) মামুনূর রশিদ ৫,৪৬৮ ভোট, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের উসমান গনি রাসেল ৩,০০১ ভোট, ইসলামী ঐক্যজোটের মো. মেহেদী হাসান ১,৬০৩ ভোট, মুসলিম লীগের (বিএমএল) এ কে এম আশরাফুল আলম ৯৭ ভোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশের তানভীর মনিরুল ইসলাম ১৪৬ ভোট, জাকের পার্টির রশিদ উল্লাহ ভোট ৪৩৯ ও স্বতন্ত্র মো. শাহীন খান পেয়েছেন ৭৪৯ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬- আওয়ামী লীগ প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম তাজ হ্যাট্রিক জয় পেয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খালেক ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩২৯ ভোট।
কুমিল্লা-১ আসনে নৌকার প্রার্থী সুবিদ আলী ভুইয়া পেয়েছেন এক লাখ ৩৫হাজার ৪৯ ভোট, ধানের শীষের প্রার্থী ড.খন্দকার মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ৯৪হাজার ৪১৪ ভোট।
কুমিল্লা-২ আসনে নৌকার প্রার্থী সেলিমা আহমাদ মেরী পেয়েছেন দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫১২ এবং ধানের শীষের প্রার্থী ড. মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ২০৭৫৯।
কুমিল্লা-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন পেয়েছেন ২লক্ষ ৭৩ হাজার ১৮২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম মজিবুল হক ধানের শীষ পেয়েছে ১২ হাজার ৩৫৮ ভোট।
কুমিল্লা-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পেয়েছেন দুই লাখ ৪০ হাজার ৫৪৪টি ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল মালেক রতন পেয়েছেন সাত হাজার ৯৫৮টি ভোট।
কুমিল্লা-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী আবদুল মতিন খসরু পেয়েছেন দুই লাখ ৯০হাজার ৫৪৭ , ধানের শীষের অধ্যক্ষ মো. ইউনুস পেয়েছেন ১১ হাজার ৯৬০।
কুমিল্লা-৬ আসনে নৌকার প্রার্থী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার পেয়েছেন দুই লাখ ৯৬ হাজার ৩০০ ভোট, ধানের শীষের প্রার্থী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন পেয়েছেন ১৮হাজার ৫৩৭ ভোট।
কুমিল্লা-৭ আসনে নৌকার প্রার্থী অধ্যাপক আলী আশরাফ পেয়েছেন এক লাখ ৮৪হাজার ৯০১ভোট, ধানের শীষের প্রার্থী ড. রেদেয়ান আহমেদ পেয়েছেন ১৫হাজার ৭৪৭ভোট।
কুমিল্লা-৮ আসনে নৌকার প্রার্থী নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল পেয়েছেন এক লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৯ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন ৩৪হাজার ২১৯ ভোট।
কুমিল্লা-৯ আসনে নৌকার প্রার্থী তাজুল ইসলাম পেয়েছেন পেয়েছেন দুই লাখ ৭০ হাজার ৬০২ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী আনোয়ারুল আজিম পেয়েছেন ১১হাজার নয় ভোট।
কুমিল্লা-১০ আসনে নৌকার প্রার্থী আ হ ম মুস্তফা কামাল পেয়েছেন চার লাখ পাঁচ হাজার ২৯৯ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৮ ভোট।
কুমিল্লা-১১ আসনে নৌকার প্রার্থী মুজিবুল হক পেয়েছেন দুই লাখ ৮২হাজার ২৭৩ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মোঃ কামাল উদ্দিন দুই হাজার ২৫৭ভোট। ৩য় হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ড.সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
চাঁদপুর-১ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন খান আলমগীর ১,৯৭,৬৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মোহাম্মাদ মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ৭,৯০৪ ভোট।
চাঁদপুর-২ বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নুরুল। তার প্রাপ্ত ভোট ৩,০১,০৫০ টি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জালাল উদ্দিন পেয়েছেন মাত্র ১০,২৭৭ টি ভোট।
চাঁদপুর-৩ আসনেও নৌকা মার্কা নিয়ে দীপু মনি ৩,০৬,৮৯৫ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক পেয়েছেন ৩৫,৮০২ ভোট।
চাঁদপুর-৪ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শফিকুর রহমান ১,৭৩,৩৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) লায়ন হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৩০,৭৯৯ ভোট।
চাঁদপুর-৫ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন ২,৯৮,১০৪ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মমিনুল হক পেয়েছেন ২৬,৫৬৪ ভোট।
ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজি, ছাগলানাইয়া ) আসনে নৌকার প্রার্থী জাসদের শিরীন আক্তার ২ লাখ ১ হাজার ৯২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের রফিকুল আলম মনজু পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৭২ ভোট।
ফেনী-২ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের নিজাম উদ্দিন হাজারী ২ লাখ ৯০ হাজার ৬৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের ভিপি জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৭২ ভোট।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজি) আসনে লাঙ্গল প্রতীকে লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ চৌধুরী ২ লাখ ৯০ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আকবর হোসেন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৭ ভোট।
নোয়াখালী-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহিম ২,৩৮,৯৭০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন পেয়েছেন ১৪,৮৬২ ভোট। এ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের এ কে এম এরফান খান পেয়েছেন ৪,৮৩৪ ভোট।
নোয়াখালী-২ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মোরশেদ আলম জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১,৭৭,৩৯১। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জয়নাল আবদিন ফারুক। তার প্রাপ্ত ভোট ২৬,১৬৯। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৩,১২১ ভোট।
নোয়াখালী-৩ নৌকা প্রার্থী মামুনুর রশীদ কিরন ২,১৭,৭২৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বরকত উল্লাহ বুলু পেয়েছেন ৫৩,৭৯০ ভোট। অন্যদিকে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুর উদ্দিন পেয়েছেন ৪,৩৫৮ ভোট।
নোয়াখালী-৪ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একরামুল করিম চৌধুরী পেয়েছন ৩,৯৬,০২২ ভোট যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শাহজাহান পেয়েছেন মাত্র ২৩,২৫৭ ভোট। এই আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল হান্নান পেয়েছেন ৪,৯৩৪ ভোট।
নোয়াখালী-৫ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২,৫২,৭৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মওদুদ আহমদ পেয়েছেন ১০,৯৭০ ভোট। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবু নাছের পেয়েছেন ২,৪৩১ ভোট।
নোয়াখালী-৬ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউস বিপুল ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২,১০,০১৫ ভোট। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ফজলুল আজীম পেয়েছেন ৪,৭১৫ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ১,২৯৫ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আনোয়ার হোসেন খান (নৌকা)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯২ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোঃ শহিদ ইসলাম পাপুল (আপেল, স্বতন্ত্র) ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া (ধানের শীষ) ২৮ হাজার ৬৫ ভোট পেয়েছেন। এদিকে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় আওয়ামী লীগ শহিদ ইসলামকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিমানমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল (নৌকা) পেয়েছেন ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে মহাজোটের মেজর (অব.) আবদুল মান্নান (নৌকা) পেয়েছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯০৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আ স ম আবদুর রব (ধানের শীষ) ৪০ হাজার ৯৭৩ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১ মীরসরাইয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৬ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল আমিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৩৯৯১ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়েতে নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারি (তরিকত ফেডারেশন) নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৩৮হাজার ৪৩০ ভোট, কর্নেল (অব) আজিম উল্লাহ বাহার ধানের শীষ ৪৯ হাজার ৭৫৩।
চট্টগ্রাম-৩ সন্দীপে মাহফুজুর রহমান মিতা নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৫৩ এবং মোস্তাফা কামাল পাশা ধানের শীষ নিয়ে ৩১২২ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ডে দিদারুল আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৬৬ হাজার ১১৮ ভোট, আসলাম চৌধুরী ধানের শীষ নিয়ে পেয়েছেন ৩০০১৪ ভোট।
চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি) ২ লাখ ৭৭ হাজার ৯০৯, সৈয়দ মো. ইব্রাহীম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪৪ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৬ রাউজানে এবিএম ফজলে করিম নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২ এবং জসীম ঊদ্দিন সিকদার ধানের শীষ ২০৩৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়ায় ড. হাসান মাহামুদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৫৫, নুরুল আলম ধানের শীষ নিয়ে ৬ হাজার ৬৫ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালীতে মাঈনুদ্দিন খান বাদল (জাসদ) ২ লাখ ৭২ হাজার ৮৩৮ এবং আবু সুফিয়ান ধানের শীষ নিয়ে ৫৯ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল নৌকা ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৪ ভোট এবং শাহাদাত হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৬৪২ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১০ ডা. আফসারুল আমিন নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭ এবং আব্দুল্লাহ আল নোমান ধানের শীষ নিয়ে ৪১ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১১ বন্দরে এম এ লতিফ নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৬৯ ভোট এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৫২৮৯৮ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১২ পটিয়ায় সামশুল হক চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ এবং এনামুল হক ধানের শীষ নিয়ে ৪৪ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৫ এবং এম এ মতিন মোমবাতি প্রতীক নিয়ে ৩৭৯৪, সরোয়ার জামাল নিজাম ধানের শীষ নিয়ে ৩ হাজার ১৫৩ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশায় নজরুল ইসলাম চৌধুরী নৌকা ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বলে বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে। আসনটিতে কর্নেল (অব) অলি আহমদ (এলডিপি) ছাতা প্রতীকে ২১ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭৫ ভোট এবং আ ন ম শামসুল ইসলাম (জামায়াত নেতা) ধানের শীষ নিয়ে ৫৩ হাজার ৯৮৬ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৬ বাশখালিতে মোস্তাফিজুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪১ এবং জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ধানের শীষ নিয়ে ২৬ হাজার ৩৭০ভোট পেয়েছেন।
কক্সবাজার-১ আসনে নৌকার প্রার্থী জাফর আলম জয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯৮৫টি। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী হাসিনা আহম্মেদ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৭৬০ ভোট।
কক্সবাজার-২ আসনে নৌকার প্রার্থী আশেকউল্লাহ রফিক ২ লাখ ২৯ হাজার ২৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ১৯ ভোট।
কক্সবাজার-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার ২ লাখ ২২ হাজার ৬৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের লুৎফর রহমান পেয়েছেন ৬৫ হাজার ২১৫ ভোট।
কক্সবাজার-৪ আসনে (উখিয়া-টেকনাফ) আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহীনা আখতার চৌধুরী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আলোচিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির স্ত্রী শাহীনা আখতার চৌধুরী ২ লাখ ২ হাজার ২৮২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের শাহাজান চৌধুরী পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ ভোট।








নাম

অর্থ ও বাণিজ্য,212,আন্তর্জাতিক,705,কাপাসিয়া,308,কালিয়াকৈর,364,কালীগঞ্জ,224,খেলা,587,গাজীপুর,3557,চাকরির খবর,25,জয়দেবপুর,1579,জাতীয়,2671,টঙ্গী,864,তথ্যপ্রযুক্তি,499,ধর্ম,192,পরিবেশ,131,প্রতিবেদন,302,বিজ্ঞান,54,বিনোদন,614,ভিডিও,58,ভিন্ন খবর,141,ভ্রমন,111,মুক্তমত,26,রাজধানী,793,রাজনীতি,1008,লাইফস্টাইল,268,শিক্ষাঙ্গন,380,শীর্ষ খবর,9564,শ্রীপুর,434,সাক্ষাৎকার,12,সারাদেশ,621,স্বাস্থ্য,206,
ltr
item
GazipurOnline.com: চূড়ান্ত ফলাফল: মহাজোট ২৮৮, ঐক্যফ্রন্ট ৭, স্বতন্ত্র ৩
চূড়ান্ত ফলাফল: মহাজোট ২৮৮, ঐক্যফ্রন্ট ৭, স্বতন্ত্র ৩
https://4.bp.blogspot.com/-_EWzoKPoBnw/XCtRSyVC93I/AAAAAAAAalg/Dlc5Vv6LIQEEGM9Mg5bdyymXFu1sfKGSACLcBGAs/s400/MARKA.jpg
https://4.bp.blogspot.com/-_EWzoKPoBnw/XCtRSyVC93I/AAAAAAAAalg/Dlc5Vv6LIQEEGM9Mg5bdyymXFu1sfKGSACLcBGAs/s72-c/MARKA.jpg
GazipurOnline.com
https://www.gazipuronline.com/2019/01/result.html
https://www.gazipuronline.com/
https://www.gazipuronline.com/
https://www.gazipuronline.com/2019/01/result.html
true
13958681640745950
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Read More Reply Cancel reply Delete By প্রচ্ছদ PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share. STEP 2: Click the link you shared to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy